1. masud.shah@gmail.com : admin :
  2. news.bholacrime@gmail.com : News Editor : News Editor
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোলায় নানা আয়োজনে “দৈনিক আমাদের সংগ্রাম”এর ১ম বর্ষপূর্তি পালন মনপুরা প্রেসক্লাবের সাথে ভোলার বাণী’র সম্পাদকের মতবিনিময় সাংবাদিক হয়রানীতে অষ্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এর নিন্দা তোফায়েল আহমেদের শারিরীক অবস্থা এখন অনেকটাই শংকামুক্ত “নেতা কর্মীদের তৈরি বলয়েই”সেদিন বেঁচে ফিরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা আগামী নভেম্বর এবং ডিসেম্বরে নেয়ার প্রস্তুতি বয়স ২৫ হলেই গ্রহন করা যাবে করোনার টিকা মাদকের নিউজ করায় সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার সাংবাদিক বেল্লাল নাফিজ লকডাউন নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর লালমোহন ভূমি কমিশনার জনাব জাহিদুল ইসলামের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

জীবিত ফিরে এলেন ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী,হাইকোর্টে মামলা ৷

মোঃ মারুফ হাসান ৷
  • মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০

ধর্ষন ও পরে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদানসহ গ্রেফতার ও হাইকোর্টে মামলা দায়েরের পর নারায়নগন্জের স্কুলছাত্রী দিসা মনির জীবিত ফিরে এসেছেন।

চলতি বছরের ২৪ আগস্ট ‘ধর্ষণের পর নদীতে লাশ ফেলে দেয়া স্কুলছাত্রীর জীবিত প্রত্যাবর্তন’ শীর্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তখন মাননীয় আদালত আইনজীবী শিশির মনিরকে লিখিতভাবে আবেদন করতে বলেন।

তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এই সংবাদ বিষয়ে মহামান্য হাইকোর্টের উক্ত দ্বৈত বেঞ্চে একটি রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পাঁচজন আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির রিভিশনটি দায়ের করেন। উক্ত পাঁচজন আইনজীবী হলেন মোঃ আসাদ উদ্দিন, মোঃ জোবায়েদুর রহমান, মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোঃ আল রেজা আমির এবং মোঃ মিসবাহ উদ্দিন।

ঘটনার বিবরণ এই যে, গত ৪ জুলাই ২০২০ তারিখে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী দিসা নিখোঁজ হয়। গত ৬ আগস্ট নিখোঁজ স্কুলছাত্রী দিসার বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ আব্দুল্লাহ, রকিব এবং খলিল নামে তিনজনকে গ্রেফতার করেন। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। স্বীকারোক্তিতে তারা বলে যে, তারা পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী দিসাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিদের জেলে পাঠানো হয়। কিন্তু ২৩ আগস্ট দিসাকে খুঁজে পাওয়া গেছে। সে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশের হেফাজতে হয়েছে। এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, আসামিরা কীভাবে ধর্ষণ ও হত্যা সম্পর্কিত স্বীকারোক্তি দিয়েছে। যেখানে দিসা অক্ষত অবস্থায় ফেরত এসেছে?

আইনজীবী শিশির মনির জানান, রিভিশনে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলা এবং মামলা পরবর্তী প্রক্রিয়ার শুদ্ধতা, বৈধতা এবং যৌক্তিকতা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। উক্ত আবেদনে আদালতে উক্ত মামলার নথি তলব করে পরীক্ষাপূর্বক উপযুক্ত আদেশ প্রদানের প্রার্থনা করা হয়েছে। আবেদনটিতে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, বাদি এবং আসামিগণকে বিবাদি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

 

© All rights reserved © 2020