অবশেষে সেই প্রবাসী স্বামী মইনুল ইসলামকে নিয়ে দুই স্ত্রীর মারামারির অবসান হলো। সামাজিক বৈঠকের মাধ্যমে মালদ্বীপ প্রবাসী মইনুল বেছে নিলেন দ্বিতীয় স্ত্রীকেই।
গত ১৮ আগস্ট করোনা ভাইরাস মহামারিতে দেশে ফিরেন মালদ্বীপ প্রবাসী মইনুল ইসলাম। তাকে বরণ করতে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে হাজির হন দুই স্ত্রী। কিন্তু কাকে ফেলে কার কাছে যাবেন, এই নিয়ে দুই স্ত্রীর মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সেই প্রবাসী জানান, এই দুইজনই তার স্ত্রী। একজনকে আগে বিয়ে করেছেন এবং অন্যজনকে তিনি পরবর্তী সময়ে মোবাইলে বিয়ে করেছেন। পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করলে দুই স্ত্রীসহ প্রবাসীকে কাছের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পারিবারিক সমাধানের জন্য পরিবারের লোকজনের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
অবশেষে সেই প্রবাসী স্বামী মইনুল ইসলামকে নিয়ে দুই স্ত্রীর মারামারির অবসান হলো। সামাজিক বৈঠকের মাধ্যমে মালদ্বীপ প্রবাসী মইনুল বেছে নিলেন দ্বিতীয় স্ত্রীকেই।
সোমবার দুপুরে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদের কার্যালয়ে সামাজিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেন মইনুল। প্রথম স্ত্রী সানজিদাকে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী তমাকে নিয়ে সংসার করার কথা জানান তিনি।বিষয়টি নিশ্চিত করে চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ জানান, উভয় পরিবারের লোকজনের মতামতের ভিত্তিতে আগামী পনের দিনের মধ্যে দেশের প্রচলিত আইন মোতাবেক এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা লীগের সভাপতি শিরিন সুলতানা, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিল্লালুর রশিদ দোলন, যুবলীগ নেতা কামরুল হাসান বাকীসহ সানজিদা এবং মইনুলের আত্মীয়স্বজন ।