অবশেষে পরিচয় মেলেছে বেতুয়ার নদীতে ভেসে আসা অজ্ঞাত লাশের।
মেয়েটির নাম নাম জোছনা বেগম, বাড়ি ভোলার জেলার চরফ্যাশন উপজেলার এওয়াজপুর ৯নং ওয়ার্ডে।মেয়েটির বাবার নাম জাহাঙ্গীর হোসেন মাতার নাম কুলসুম বেগম। জোছনার বয়স আনুমানিক (১৭) বছর।
আজ ২৫ শে সেপ্টেম্বর সকালে চরফ্যাশন বেতুয়া নদীর তীরে (প্রশান্তি পার্কে) জিও ব্যাগের উপরে একটি মেয়ের তাজা লাশ দেখতে পান এলাকার জনগন। স্রোতের টানে ভেসে আসা লাশটি বেতুয়া নদীর তীরে জিও ব্যাগের উপরে আটকে পড়ে। ভাটার টানে ব্যাগের উপর থেকে আর নামেনি লাশ।
পরে জানা যায় মানিক নামের এক ছেলের সাথে জোছনার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।সম্পর্কের জের ধরে তারা দুজন ৪ দিন আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। মেয়ের বাবা জাহাঙ্গীর “মানিক” কে না চিনায় তারা জানতে পারেনি তাদের মেয়ে কোথায় আছে আর কি ঘটেছে মেয়ের কপালে।খোজাখুজির ৪ দিন পর মেয়েতো ফিরলো,তবে লাশ হয়ে।এ নিয়ে চলছে পরিবার জুড়ে চলছে শোকের মাতম।
ধারনা করা হচ্ছে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোসনাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে ধর্ষন করার পর শ্বাসরুদ্ধ করে মেয়েটিকে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে প্রতারক ও ধর্ষক মানিক।
মেয়ের বাবা মা প্রতারক মানিকের পরিচয় সহ প্রকৃত সত্য উদঘাটনে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের দাবি করেছেন প্রশাসনের জন্য।