সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ খুনের মামলার আসামি আশুলিয়া যুবলীগ ক্যাডার সবেদ আলী এখনও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
কে এই সবেদ আলী?কে তার লিডার?যেভাবে আশুলিয়ার ত্রাস হয়ে ওঠেন সবেদ আলী।
বিস্তারিত: ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামের ছত্রছায়ায় সবেদ আলী এখন কোট কোটি টাকার মালিক।
সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম এর ক্যাডার। সবেদ আলী কাঁচামালের আড়ৎ এর ব্যবসা করে তার পাশাপাশি সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামের অন্যতম ডোনার ও ক্যাডার বাহিনীর সদস্য ছিলেন সবেদ আলী সে নিয়মিত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্য এলাকার যুবলীগের ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে বিভিন্ন চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি করতো।
সবেদ আলীর নির্দেশ ছাড়া কোনো কাজ হতো না এই আশুলিয়া এলাকায়। প্রশাসন থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দল গঠন, সাংবাদিকদের নির্যাতন, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর কমমূল্যে ক্রয় করে তাদেরকে ভারতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সবকিছু চলতো তার কথামতো। গত ১৬ বছরে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে। গত ১৬ বছর বিএনপি- জামায়াত রাজনীতিতে সবকিছু আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ ছিল। নেতাকর্মীরা এলাকাছাড়া ছিল। জামায়াত-শিবির গত ২ বছর পূর্বে আশুলিয়ায় এলাকায় মিছিল করলে, তাদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর করে তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এমনকি জামায়াতের নেতাকর্মীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করে ক্যাশ থেকে লাখ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়।
বাইপাল মোড় আশুলিয়ায় ৫ আগস্ট ভিক্ষোভ কারী ছাত্রদের উপর হামলা করে সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামের ক্যাডার সবেদ আলীসহ নেতা কর্মীরা। সবে আলীর নেতাকর্মীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে অনেক গাড়ি ভাঙচুর করে। কয়েকশ’ আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীকে আহত করে। এ ছাড়াও সবেদ আলী আশুলিয়ার ধামশোনা ইউনিয়ন পরিষদ যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। সবেদ আলীর কাঁচামালের আড়তের পাশে ১৮ তলা একটি বিল্ডিং করে, এবং এই বিল্ডিং এর বিভিন্ন ফ্লোরে বৈষম্য বিরোধীদের আশ্রয়স্থল ও অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতো
এতে করে সংসদ সদস্য সাইফুলের আস্থাভাজন নির্বাচিত হন । গত ১৫ বছর পৌরসভা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ভোটারবিহীন নির্বাচন হতো। শেখ হাসিনা পদত্যাগের দিনও গত ৫ই আগস্ট দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রত্যেকদিন তার সন্ত্রাসী দল সশস্ত্র অবস্থায় প্রতিটি রাস্তার মোড়ে পাহারায় থাকতো। যাতে বিএনপি ও জামায়াতের কোনো মিছিল বের করতে না পারে।আশুলিয়া থানা তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা তদন্তধীন আছে। তার মামলা গুলো দুদুকে তদন্তধীন রয়েছে। সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ খুনের মামলার আসামি আশুলিয়ার সবেদ আলী পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে এখনো প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে।
এলাকাবাসী সন্ত্রাসী সবেদ আলীকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবী জানান।