1. masud.shah@gmail.com : Administrator :
  2. news.bholacrime@gmail.com : News Editor : News Editor
  3. subeditor.bholacrime@gmail.com : Sub Editor : Md. Iqbal Hossain
ভোলা ডিসি অফিসের অফিস সহকারী কমলের যত দূর্নিতী ও ক্ষমতার নেপথ্য ছিলেন কারা? - Bhola Crime
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
“এজেএফবি স্টার অ্যাওয়ার্ড” এ বেস্ট শিশুশিল্পীর সম্মাননায় “আবরার এশাল” এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান এর নিজের আয়কর নথিতেই সর্ষের ভুত স্বল্প খরচে চিকিৎসা সেবা দেওয়াই কি আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হসপিটাল এর অপরাধ? ভোলা ডিসি অফিসের অফিস সহকারী কমলের যত দূর্নিতী ও ক্ষমতার নেপথ্য ছিলেন কারা? না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন “তোফায়েল আহমেদ” পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গনমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন হাফিজ ইব্রাহিম এম.পি ভোলায় জাল টাকা সহ এক পেশাদার করবারি গ্রেফতার সেরা সংগঠক সম্মাননা পেলেন ফারুক হোসেন মজুমদার ভোলায় অভিযোগ ও পরোয়ানা ছাড়াই জামায়েতের নারী কর্মী আটক জ্বালানীর চরম সংকটে বন্ধের মুখে ভোলার বিসিক শিল্প নগরী,ভোলার প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন মালিকগন

ভোলা ডিসি অফিসের অফিস সহকারী কমলের যত দূর্নিতী ও ক্ষমতার নেপথ্য ছিলেন কারা?

নিউজ এডিটর
  • শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলা জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের সাবেক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর কমল চন্দ্র দে-র বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের নানা অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।

বিগত সরকারের শাসনামলে প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠতা এবং দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও সুবিধা ভোগ করে এসেছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
​স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কমল চন্দ্র দে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভোলা জেলা আওয়ামী নেতৃবৃন্দের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং দীঘলদীর চেয়ারম্যান জনাব বশিরের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। মূলত এই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েই তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন।
​অনুসন্ধানে জানা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে একপর্যায়ে তাকে চরফ্যাশন উপজেলায় বদলি করা হয়েছিল। তবে অদৃশ্য খুঁটির জোরে মাত্র দুই বছরের মাথায় তিনি পুনরায় ভোলা সদর দপ্তরে ফিরে আসেন। কোনো প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে এবং কীভাবে তার এই রহস্যজনক পুনর্বাসন বা পদায়ন হলো, তা নিয়ে খোদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং সুশীল সমাজের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।
​কমল চন্দ্র দে-র বিরুদ্ধে চাকরিজীবনের একটি বড় সময়জুড়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, তার নামে-বেনামে বর্তমানে কয়েক কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। তার পৈতৃক নিবাস ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুন্সিরহাট এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে।
​জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাবেক সরকারের আমলে প্রশাসনিক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে কমল চন্দ্র দে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে—
​জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন টেন্ডার (দরপত্র) প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার।
​বিভিন্ন ধরণের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন।
​কর্মচারীদের বদলি বাণিজ্য।
​ডিসির বাংলো রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎ।
​কার্যালয়ের কম্পিউটার মেরামত ও অফিস সংস্কার কাজের নামে সরকারি অর্থ লোপাট।
​এছাড়াও, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকাকালীন বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের (পাম্প) সাথে যোগসাজশ করে সরকারি জ্বালানি খাতের বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
​এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কমল চন্দ্র দে-র মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। পরবর্তীতে বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়ায় তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
​এদিকে সরকারি দপ্তরে বসে এমন লাগামহীন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোলার সচেতন মহল। তারা অতি দ্রুত এসব অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্তসহ তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020-2022