মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্প্রতি সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভোলাকে সড়কপথে যুক্ত করা ভোলাবাসীর জন্য সুখকরতো নয়ই বরং বাড়াবে জনদূর্ভোগ এমনটাই দাবী ভোলাবাসীর।
রহমতপুর হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ হয়ে সড়কপথে ভোলা আসতে কমপক্ষে ১০০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হবে ভোলার মানুষকে। তাছাড়া বরিশাল যাতায়াতের জন্য রহমতপুর থেকে উল্টো দিকে বরিশাল আসতে হবে। এই রুট ভোলাবাসীর জন্য স্বস্তির চেয়ে অনেক বেশি কষ্টদায়ক হবে। মেহেন্দিগঞ্জ হিজাবাসীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের উপর ভোগান্তি চাপিয়ে দেওয়ার কোন মানে হয় না।
এই সড়ক ভোলার সাথে বরিশাল পটুয়াখালী ঝালকাঠির দূরত্ব অনেক বাড়িয়ে দিবে। আগে যেখানে ভোলা থেকে বরিশালের দূরত্ব ছিল মাত্র ৪০ কিলোমিটার সেখানে এখন এই রুটে ভোলা থেকে বরিশালের দূরত্ব হবে ১৪০ কিলোমিটার।
ম্যাপে ভোলা থেকে বরিশালের ডাইরেক্ট রুট এবং ভোলা থেকে মেহেন্দিগঞ্জ হিজলা রহমতপুর হয়ে বরিশালের রুট দেখলেই বুঝতে পারবেন কতটা পথ ঘুরে ভোলাবাসীকে বরিশাল যেতে হবে। একইভাবে পটুয়াখালী বরগুনা ও ঝালকাঠি যেতে হলে এবং পটুয়াখালী বরগুনা ও ঝালকাঠি থেকে ভোলা আসতে হলে অতিরিক্ত এই পথ পাড়ি দিতে হবে উক্ত জেলার মানুষগুলোকে।
লাহার হাট ভেদুরিয়া রুটে ব্রিজ হলে একসাথে বরিশাল বিভাগের সকল জেলা উপকৃত হতো।চট্টগ্রাম পোর্ট থেকে ভোলা হয়ে পটুয়াখালী ঝালকাঠি বরগুনাতে খুব দ্রুত মালামাল পরিবহন করা যেত । বরিশালের সকল জেলার সাথে ভোলার যোগাযোগ বৃদ্ধিতে লাহারহাট ভেদুরিয়া সেতুর কোন বিকল্প হতে পারে না। এটা ভোলা সহ এই অঞ্চলের মানুষের সাথে প্রতারণা। আশা করি ভোলার জাতীয় নেতৃবৃন্দ বিষয়টি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে একটা ফলপ্রসু সিদ্ধান্ত নিবেন।
এক রাজীব আহসান তার মেহেন্দিগঞ্জকে যুক্ত করার নামে ২০ লক্ষ ভোলাবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলতে পারেনা।দেখা যাক আমাদের মাননীয় স্পিকার, একজন ফুল মিনিস্টার ও বাকি দুইজন নির্বাচিত এমপি কি ভূমিকা পালন করে তা দেখার অপেক্ষায় ভোলাবাসী।