ভোলার মনপুরায় ড্রেনে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণকারী রিক্সাচালক মামুনের পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিলো “মহসিন তালুকদার মেমোরিয়াল ট্রাস্ট”। গত বছরের ২২ আগষ্ট মনপুরার হাজীর হাট বাজারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ‘আলফি এন্টারপ্রাইজ’ এর নির্মানাধীন ড্রেনের ঢাকনা না থাকায় ড্রেনে পড়ে গিয়ে গলার রগ ছিড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন মামুন। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ঢাকার ইবনে সিনা হসপিটালে ২২ সেপ্টেম্বর পৃথিবী হতে বিদায় নেয় মামুন।
মামুন উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা। মা, স্ত্রী ও দুই শিশু কণ্যা সন্তান নিয়ে রিকশা চালিয়ে কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করতো। মাথা গোঁজার ঠাঁই শুধু ঘর ছাড়া কিছুই নেই। মামুনের বয়স যখন পাঁচ মাস তখন পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে বাবা। মা মাফিয়া বেগম মানুষের ঘরে কাজ করে বড় করে করেছেন ছেলে মামুনকে। বড় হয়ে রিকশা চালিয়ে অভাবের সংসারের হাল ধরে ছিলেন মামুন।
মামুন চিকিৎসাধীন থাকার সময় তাঁর পরিবারের খোঁজ খবর নিয়েছিলো মহসিন তালুকদার মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। মামুনের মৃত্যুর পর ট্রাস্টের উদ্যোগে আরও কয়েকজন মানুষের সহযোগিতায় অসহায় এ পরিবারটির জন্য ৫০ হাজার টাকার আর্থিক অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়।
বুধবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল নোমান নিহত মামুনের স্ত্রী ও দুই সন্তানের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহসিন তালুকদার মেমোরিয়াল ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নকিব তালুকদার, লালমোহন রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি মাহমুদ লিটন, লালমোহন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি জহিরুল হক, লালমোহন জার্নালিস্ট ফোরাম’র সভাপতি জাহিদুল ইসলাম দুলাল, যুগ্ম-সম্পাদক এম.ইউ.মাহিম প্রমুখ।
সংগৃহীত