স্টাফ রিপোর্টঃ-
গত ৬/৪/২০২১ইং তারিখে দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তায়” সহ ভোলার আঞ্চলিক ও জাতীয় অনলাইন পোর্টালে “ভোলায় তোফায়েল আহমেদের প্রচেষ্টায় দখলীয় সম্পত্তি ফিরে পেল বৃদ্ধা ‘মা”৷
এমন শিরোনাম প্রকাশিত সংবাদের পর বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয় জমিজামা দখলীয় প্রতিপক্ষ ভোলা গাজীপুর রোডের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবদুল খালেক পিতা,মৃত সোনামিয়া গংদের।
উক্ত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে আজ সরজমিনে মূল ঘটনাবলী তুলেধরে ঐ জমির পৈতৃক সূত্রে মালিকানা দাবি কারী আঃ খালেক গংরা। এসময় তিনি জানান তাহার বয়স যখন ৫ বছর ঐ সময় তাহার পিতা মারা যান।সেই সময় তাহাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষরা স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহয়তায় মৃত আজহার মেম্বার গংদের জাল দলিল করার মাধ্যমে জমিটি তার মেয়ের জামাতা মৃত মো. হানিফের নামে দেখিয়ে দীর্ঘদিন ভোগদখল করতে থাকে। উল্লেখ্য আছে যে ততকালীন সময়ে ধনীয়া ইউনিয়নের মুসলিম লীগ নেতা মৃত মো.ইলিয়াস মাস্টারের রাজনৈতিক ক্ষমতা অপব্যবহার এর মাধ্যমে মৃত আজহার আলী গংরা ভোগদখল করতে থাকে। পরবর্তীতে এতিম আবদুর রহমান যখন সাবালক হয় তখন নিজের পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে ভোলার পৌরসভা সহ স্থানীয় কাউন্সিলর এবং বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে স্থানীয় শালিস প্রক্রিয়া অব্যহত রাখে।তবে প্রতিপক্ষের প্রভাবে এবং তাদের স্থানীয় শালিস ব্যবস্থাকে অমান্যতা দেখানোর কারনে তিনি জমিটি উদ্ধারে করতে ব্যর্থ হন।
আঃখালেক গং অভিযোগ করে বলেন নিজের পৈতৃক সম্পত্তি দখল না দিয়ে তাহারা তার পরিবারের প্রতিও দফায় দফায় হুমকি অমানবিক হামলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে।
তিনি জানান কয়েকবার জমিটির সমাধান করতে ভোলার পৌরসভা সহ স্থানীয় শালিস প্রক্রিয়া চেষ্টা অব্যাহত করলেও প্রতিপক্ষ আজহার মেম্বার গং শালিস ব্যবস্থাকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে জোরপূর্বক জমিটি ভোগ দখল করে রাখেন।
এমতাবস্থায় আঃখালেক গং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ভোলার বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, যাহার মামলা নং ১১৭! যদিও মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে।তবে এ মামলা চলমান অবস্থায় তারা বিভিন্নভাবে মামলা তুলে নিতে আঃখালেক গংদের পরিবারের উপর অপক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আজহার মেম্বার গং এর জাল দলিলের প্রভাবে একাধিক বার দখলের পায়তারা করে ঘর উত্তোলন করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
পরবর্তীতে এবিষয়ে আঃখালেক জানান, অবশেষে ভোলার জননেতা আমার শ্রদ্ধেয় অভিভাবক আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এমপি মহোদয়কেও এই ভূমিদস্যু ও জাল দলিলের উপর মালিকানার ভিত্তি দাবিকরে শ্রদ্ধার নেতাকে ভুল বোঝানোর অপচেষ্টার দুঃসাহস দেখান। তবে ভোলার অভিবাভক ও ন্যায়পরায়ণ নেতা তিনি সুষ্ঠু সমাধানের জন্যে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনিক সমাধানের নির্দেশনা দেন। আঃ খালেক এবিষয় বলেন আমি ও আমার পরিবার এবার সন্তুষ্ট কারন, এবার তারা সত্যের পক্ষে রায় পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যেহেতু জননেতা তোফায়েল আহমেদ এমপি’র প্রচেষ্টায় রয়েছে। তাই আবদুল খালেক সহ তাহার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি দখলীকৃত জমিটি ফিরে পেতে অভিবাভক তুল্য নেতা প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় আকুল আবেদন জানায় আঃ খালেক গং সহ তার পরিবার।